
বন্ধুরা,
কেমন কাটলো নববর্ষের দিনটি আপনাদের? নিশ্চই খুব আনন্দ করে কাটিয়েছেন। মূলত আমি সপ্তাহে দুদিন বাজার করি। মঙ্গলবার এবং রবিবার।
ওই মাছ, মাংস কিনতেই যাওয়া। বাকি শাক সবজি বাড়ির সামনে থেকেই নিয়ে নেওয়া হয়।
আজ পয়লা বৈশাখের দিন বলে বাজার গেছিলাম।
আমি তো একা বাঙালি নয়, বাজার গিয়ে দেখলাম চতুর্দিক ভরে আছে ভোজনরসিক বাঙ্গালী।
বুঝলাম তারা ধরেই নিয়েছে lockdown শুরু হবার আগে যথেচ্ছ খেয়ে নিতে হবে, পাছে বেরোনোর অনুমতি বন্ধ হয়ে গেলে পেট পুজোতে ঘাটতি হয়।
না খেয়ে মরার চাইতে খেতে খেতে উপরে যাওয়াই শ্রেয়।
যা যাবে অঙ্গে, তাই যাবে সঙ্গে। কথাটার যথার্থতা আজ বাজার গিয়ে হাড়ে হাড়ে টের পেলাম।
না তাতে দোষের কিছু নেই, আমিও গেছি! না আসলে গেছি বললে ঠিক বলা হবে না, প্রায় গলা ধাক্কা দিয়ে পাঠানো হয়েছে।
এই যাঃ, আবার মুখ ফসকে হাঁড়ির খবর দিয়ে ফেললাম।
মনের দুঃখ মশাই বুঝবেন না, যতক্ষণ বিবাহিত জীবন অন্ততপক্ষে ১৪বছর পার করছেন। এমনি কি বনবাস এর জন্য গুণে গুণে ১৪ বছর ধার্য্য করা হয়েছিল।
সব প্ল্যান, আজ বুঝতে পারছি।
যাক এই গরমে বাজার করার পর, খাবার খাওয়ার ইচ্ছে ঘরে ঢোকার আগেই শেষ হয়ে যায়।
যাক বাজার যাওয়াতে আজ বেশ জমিয়ে খাওয়া দাওয়া হয়েছে। আশাকরি আপনারা দের ও খুব ভালো ভাবে ভুরিভোজ হয়েছে।
জানতে ভুলবেন না, ভয় নেই লোভ দেবো না। এখন আর লোভ হয়না বিশেষ। একসময় এত কিছু খেয়েছি তাও আবার খাঁটি খাবার , এখনকার মত ভেজালে খাবার নয়।

আজ চললাম, ভালো থাকবেন সবাই, খাবার শেষে ডাইজিন খেয়ে নিতে ভুলবেন না। এখন আমাদের জীবনের একনিষ্ঠ সঙ্গী।
নমস্কার।