Sort:  

আমার কখনো মেসে থাকতে হয়নি, তবে দুবার ফ্রেন্ডদের সাথে থেকেছিলাম ঘুড়তে গিয়ে। আসলেই তাই, রাতের কোনো ঠিকঠিকানা নেই আড্ডা চলছে তো চলছেই। সিনিয়র জুনিয়র একসাথে বসে আড্ডা,গান বাজনা।জোশ লেগেছিল। হয়তো আমরা ছিলাম তাদের মেহমান তাই হয়তো আনন্দটা অনেক বেশি ই ছিল।
যাইহোক ভালো লিখেছেন,এইটা ফেসবুক হলে সকল ব্যাচেলার একটার পর একটা শেয়ার দিয়েই যেত।হাহাহা।

@minhajulmredol

মেসে কখনো থাকেননি তাতে কি হয়েছে, মেস পরিদর্শন তো করেছেন। 😎

এখানে একদিন দুইদিন থাকলেই আন্দাজ করা যায় যে এটা কেমন জায়গা 😁😄

আমিও কখনো একা কোথাও বাইরে থাকে নি। হলের লাইফটা কেমন হয় আমার সত্যিই জানা নেই।কিন্তু কলেজে থাকতে বন্ধুদের কাছেও অনেক শুনেছি যে তারা হলে অনেক আনন্দ করে রাত্রেবেলা গান-বাজনা করে সারারাত নাকি না ঘুমিয়ে কেটে যায় শুনে কিছুটা আফসোস লাগতো কারণ লাইফ টা অনেক সুখের তখন অনেক বন্ধুদের সাথে।

@shahinaubl

রাত্রেবেলা গান-বাজনা করে সারারাত নাকি না ঘুমিয়ে কেটে যায়

তাহারা বড় ই দুষ্টু পোলাপাইন ছিলো 🤣

আমি যে মেসে ছিলাম সেখানে খাওয়া নিয়ে এমন সমস্যা হয়নি। তবে ছাড়পোকার কামড় খেয়েছি। মেসে অনেক ধরনের মানুষের সাথে মিশে তিক্ত এক অভিজ্ঞতার সাক্ষাৎ পাওয়া যায়৷ নতুনদের জন্য মেসে থাকা একটু কষ্টকর হলেও বাইরের জগৎ সম্পর্কে শিক্ষা পাওয়া যায়। তিন বছর হলো মেস ছেড়েছি৷ খুব মিস করি মেস জীবনকে।

@ohabrizvi
আমিও একসময় মেসে থাকতাম ভাই। নিজের পড়ালেখার পাশাপাশি টিউশনি করাতাম। তো যখন টিউশনি থেকে বাসায় আসতাম, দেখতাম যে বুয়া যা রান্না করে গেছে, সেই খাবার শেষ হয়ে গেছে। এখন আমায় রান্না করে খেতে হবে। ক্ষুধা পেটে নিয়ে রান্না করতাম। কষ্টে একা একাই হাসতাম। 😅
যাক এসব কথা।
মেস লাইফ আসলেই মানুষকে আরো নতুন নতুন অভিজ্ঞতা এনে দেয়। 🙂

Hi @shuvo71, your post has been upvoted by @bdcommunity courtesy of @rehan12!


Support us by voting as a Hive Witness and/or by delegating HIVE POWER.

JOIN US ON